নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজশাহী নগরীর লক্ষীপুর মোড়ে পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সামনে এক রোগীকে অকথ্য গালাগালি ও মারধরের অভিযোগ উঠেছে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিউরো মেডিসিন বিভাগের চিকিৎসক ডা. এম আহম্মদ আলী ও তার সহকারীর (এটেনডেন্ট) বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মাহবুবুর রহমান রানা রাজপাড়া থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
ভুক্তভোগী রানা নগরীর কুমারপাড়া এলাকার বাসিন্দা ও পেশায় একজন ব্যবসায়ী। তিনি রাজশাহী ও ঢাকায় দুটি অফিস পরিচালনা করেন।
রানা জানান, মঙ্গলবার রাত আনুমানিক ৯টা ৩০ মিনিটে তিনি ডাক্তার দেখিয়ে বাসায় ফিরছিলেন। এ সময় ডা. আহম্মদ আলী তার এটেনডেন্ট আমিরুলকে নিয়ে মোটরসাইকেলে পপুলার ভবন থেকে বের হন। যানজটপূর্ণ রাস্তায় এটেনডেন্ট বারবার বিকট শব্দে হর্ণ বাজাতে থাকলে রানা তাকে হর্ণ বন্ধ করতে বলেন।
রানা অভিযোগ করেন, তার এই অনুরোধের জেরেই ডাক্তার ও তার সহকারী উত্তেজিত হয়ে তাকে গালিগালাজ শুরু করেন এবং একপর্যায়ে মারধর করেন। ডাক্তার নিজ হাতে মারধর করেন এবং এটেনডেন্ট হেলমেট দিয়ে আঘাত করেন বলে অভিযোগ। এমনকি পপুলারের কয়েকজন স্টাফ ও ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিরাও মারধরে অংশ নেয়।
রানা আরও দাবি করেন, “তারা আমার কাছে থাকা নগদ ২০ হাজার ৫০০ টাকা ছিনিয়ে নেয় এবং ল্যাপটপ ছিনিয়ে নেওয়ারও চেষ্টা করে।”
তিনি বলেন, “ঘটনাস্থলে থাকা পপুলারের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখলেই সত্যতা প্রমাণিত হবে। আমি থানায় অভিযোগ দিয়েছি, সুবিচার চাই।”
রাজপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আশরাফুল আলম জানান, এ বিষয়ে একজন রোগী লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে ডা. আহম্মদ আলীর সঙ্গে মোবাইলে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাংবাদিক পরিচয় জানার পর কল কেটে দেন এবং পরবর্তীতে আর কল রিসিভ করেননি।
তবে তার এটেনডেন্ট আমিরুল সাংবাদিকদের জানান, “রানা আমাদের গায়ে হাত তুলেছে, আমরা কাউকে মারিনি।”
অভিযুক্ত ডা. এম আহম্মদ আলী রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ। তিনি পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়মিত রোগী দেখেন।



















