নিজস্ব প্রতিবেদকঃ রাজপাড়া থানাধীন বসুয়া এলাকায় জমি ক্রয় ও দখল সংক্রান্ত বিরোধ নতুন মাত্রা লাভ করেছে। দীর্ঘদিন ধরে দুই পক্ষের মধ্যে জমি নিয়ে ঝামেলা চলছিল। অভিযোগকারী মোঃ আশিকুর রহমান খান রিচার্ড থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, প্রতিপক্ষ মোঃ ওয়াজ করুনী ও মোঃ জহুরুল জোরপূর্বক নির্মাণ কাজ শুরু করেছে, বাদীকে হুমকি প্রদর্শন করেছে এবং বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে গালিগালাজ ও মারধরের হুমকি দেয়। স্থানীয় জনসাধারণ এসে বাদীকে উদ্ধার করেছে।
থানার পরামর্শে বাদী কোর্টে মামলা দায়ের করেন। মামলা নং: রাজপাড়া ৩৮০ পি/২০২৫, ধারা: ফৌজদারী কার্যবিধি ১৪৫। আদালতের আদেশে বিরোধীয় জমিতে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা করতে থানাকে নির্দেশ প্রদান করা হয় এবং প্রতিপক্ষকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়। দুই পক্ষকেই কাগজপত্রসহ হাজির হতে বলা হয়। মামলার সময় বাড়াতে ০৬/০৪/২০২৬ পর্যন্ত পিটিশন দেওয়া হয়েছে।
মাঠ পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, জমিতে ছাদ ঢালাইয়ের জন্য সাটারিং ও রড বাঁধার কাজ চলছে। হেড মিস্ত্রি জানান, মালিকের নির্দেশে পুনরায় কাজ শুরু হয়েছে। প্রায় আড়াই মাস কাজ বন্ধ থাকার পর আদালতের নিষেধাজ্ঞা ও পিটিশন সম্পর্কে সঠিক অবগত না থেকে কাজ চালু করা হয়েছে।
প্রতিপক্ষের পিতা শাহাজানান দাবি করেছেন, তিনি “৪ নম্বর মালিক” হিসেবে জমি ক্রয় করেছেন। তিনি বলেন, “আমার জমির কাজ কারো অনুমতি নিয়ে কেনো করব? আমার বাসার বেশির ভাগ কাজ হয়ে গেছে, এখন কেনো কাজ বন্ধ রাখব? মামলা আছে, সেটা কোর্টে প্রমাণ করতে পারব। আমি টাকা দিয়ে জমি কিনেছি, আদালতের রায় আমি পাব, তাই কাজ চলুক।”
শাহাজানান পিটিশন দেওয়ার বিষয়ে বলেন, “সেটা আমি জানি না, পিটিশন দাখিলের দায়িত্ব উকিলের হাতে ছিল এবং আমি নিজে জানতাম না।”
বাদী আশিকুর রহমান খান বলেন, “আমি কোর্টে হাজির ছিলাম, পিটিশন আমি দিইনি। আমি দ্রুত সমাধান চাই আমি কেন সময় নিব । প্রতিপক্ষ কোর্টের আদেশ অমান্য করে, গায়ের জোর দেখিয়ে কাজ চালাচ্ছে।”
বাদীর অ্যাডভোকেট ও আদালতের পেশকার জানিয়েছেন, আশিকুর সাহেব আদালতের দেওয়ার নির্ধারিত তারিখে উপস্থিত ছিলেন।
এই বিষয়ে রাজপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ জানায়, কাজ বন্ধ ছিল আমার জানামতে আপনার মাধ্যমে জানলাম কাজটি চালু করেছে। বাদী পক্ষ থানায় আসলে অবশ্যই আইন গত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।



















