নিজস্ব প্রতিবেদকঃ রাজশাহী বিভাগীয় কার্যালয়ের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)-এর এক কর্মকর্তা বাইজিৎকে ঘিরে উঠেছে বিস্তর অভিযোগ। অভিযোগ রয়েছে—ছোট পদে যোগ দিলেও সময়ের ব্যবধানে তিনি দপ্তরের অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তিতে পরিণত হয়েছেন।
স্থানীয় ব্যবসায়ী ও একাধিক সূত্রের দাবি, রাজশাহীর বাঘা থেকে গোদাগাড়ী পর্যন্ত এমন অনেক ব্যবসায়ী আছেন, যারা তাকে চেনেন। অভিযানের দায়িত্বে থাকলেও তার বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসায়ী ও কথিত ‘গডফাদার’দের কাছ থেকে নিয়মিত অর্থ সংগ্রহের অভিযোগ রয়েছে। সংগৃহীত অর্থ দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মধ্যে ভাগাভাগি করা হয় বলেও অভিযোগ উঠেছে। এ কারণে ছোট পদে থাকলেও তার কথামতো দপ্তর পরিচালিত হয় বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের।
সূত্র জানায়, আইডি বাগানপাড়া, কাশিয়াডাঙ্গা রেললাইন এলাকা থেকে সোনাইকান্ধি বিজিবি ক্যাম্প সংলগ্ন এলাকা এবং গোদাগাড়ী থানার বিভিন্ন অঞ্চল থেকে নিয়মিত মোটা অঙ্কের অর্থ আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
কিছুদিন আগে ডিএনসির আরেক কর্মকর্তা রায়হানকে নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর রাজশাহীতে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে বেশ কয়েকজন কর্মকর্তাকে বদলি করা হলেও অভিযোগ রয়েছে—বাইজিত এখনো বহাল রয়েছেন। এমনকি পূর্বে বদলি হওয়া কিছু কর্মকর্তার পক্ষ থেকেও রাজশাহী এলাকায় অর্থ সংগ্রহ অব্যাহত রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে বাইজিৎ মোবাইল ফোনে বলেন, তিনি জয়পুরহাটে অভিযানে আছেন, পরে কথা বলবেন। এরপর আর তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
এ বিষয়ে জানতে অতিরিক্ত পরিচালক মো. আলী আসলাম হোসেনের মোবাইল নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।
অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া গেলে তা হালনাগাদ করা হবে।


















