সকালের বুলেটিন ডেক্স ১৩ মে ২০২৫ , ৫:৪৫:২২ প্রিন্ট সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজশাহী মহানগরের প্রাণ কেন্দ্র সাহেব বাজার থেকে নিয়মিত রাজশাহী মহানগর যুবদলের সদস্য সচিব মোঃ রফিকুল ইসলাম রবির নামে চাঁদা উত্তোলন করে আসছিল অজ্ঞাত ব্যক্তি। যার ফলে সোস্যাল মিডিয়ায় অপ্রচারের শিকার হয় রাজশাহী মহানগর যুবদল। অবশেষে মোঃ রফিকুল ইসলাম রবির ফেসবুক পোস্টের পড়ে আরএমপি বোয়ালিয়া থানায় আটক হয় প্রকৃত চাঁদাবাজ।

১৩ মে বৃহস্পতিবার দুপুর ৪:৩০ মিনিটে প্রকৃত চাঁদাবাজ মোঃ জনি, পিতা রেন্টু কে তার নিজ মহল্লা পাঠান পাড়া থেকে আটক করে বোয়ালিয়া থানায় নেওয়া হয়।
ঘটনা সূত্রে জানা যায়, সোশ্যাল মিডিয়ায় রাজশাহী মহানগর যুবদলের সদস্য সচিবের নামে অপ্রচার ছড়ানো হয় চাঁদাবাজ আখ্যা দিয়ে। এ বিষয়টি রাজশাহী মহানগর যুবদলের নজরে আসলে তারা সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম রবিকে জানানোর পর কে এমন মিথ্যা কথা ছড়ালো সে বিষয়ে খোঁজখবর নিতে যেয়ে জানতে পারে, কোন এক ব্যক্তি তার নাম ভাঙ্গিয়ে সাহেব বাজার থেকে নিয়মিত চাঁদা উত্তোলন করে আসছে। সে ব্যক্তির নাম পরিচয় না পেলেও তারা অনেক খোঁজাখুঁজির পর একটি সিসিটিভি ফুটেজ হাতে পায়। এরপর রাজশাহী মহানগর যুবদলের সদস্য সচিব মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম রবি তার ফেসবুক আইডি থেকে আনুমানিক ২:৩০ ঘটিকায় একটি সিসি টিভি ফুটেজ আপলোড করে লিখেন,এই ছেলে আমার নাম করে বিভিন্ন যায়গায় চাঁদা দাবি করছে যদি কেউ এই ছেলেকে ধরিয়ে দিতে এবং তার তথ্য দিতে পারেন তাকে আমার পক্ষ থেকে পুরস্কৃত করা হবে। নিমিষেই সেই পোস্ট সমস্ত ফেইসবুকে ছড়িয়ে পড়ার পর সেই ভিডিও দেখে অজ্ঞাত ব্যক্তিকে শনাক্ত করে গোপন ভাবে রফিকুল ইসলাম রবিকে জানালে তিনি বোয়ালিয়া থানার সহযোগিতায় তাকে আইনের আওতায় নেওয়ার ব্যবস্থা করে।
এ বিষয়ে জানতে বোয়ালিয়া থানার অফিসার্স ইনচার্জ মোঃ মোস্তাক আহমেদ বলেন, সিসিটিভি ফুটেজে তার চাঁদা নেওয়ার প্রমাণসহ তিনি নিজেও চাঁদা উত্তোলনের বিষয় স্বীকার করেছেন। তথ্য প্রমান ও তার স্বীকারোক্তিতে তাকে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে জেল হাজতে প্রেরণ করা হবে।

















