অপরাধ - দূর্নীতি

সত্য সংবাদ প্রকাশের পর চাপ, হুমকি ও সামাজিক অপপ্রচার: সাংবাদিকের প্রতিবাদ

  মো: সাকিবুল ইসলাম স্বাধীন ২৭ জুন ২০২৫ , ১:২৮:৪২ প্রিন্ট সংস্করণ

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজশাহীর রথ মেলায় যুবদল সদস্য তানভীর আহমেদ সুইটের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ সংক্রান্ত সংবাদ “সকালের বুলেটিন” সহ বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশের পর থেকেই প্রতিবেদককে মোবাইল ফোন, হোয়াটসঅ্যাপ, মেসেঞ্জারসহ নানা মাধ্যমে চাপ ও প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা চলছে। কেউ সরাসরি হুমকি, কেউ অনুরোধ আবার কেউ অর্থের প্রস্তাব দিয়ে সংবাদটি সরিয়ে ফেলতে বলেন।

বিশেষ করে বিএনপির অঙ্গসংগঠনের কয়েকজন নেতা-কর্মী , নগরীর প্রভাবশালী ব্যক্তি ও কিছু সুবিধাবাদী সাংবাদিক প্রকাশিত সংবাদ মুছে ফেলতে বলে।

রাজশাহী মহানগর যুবদলের হোয়াটসঅ্যাপ মিডিয়া সেল গ্রুপ ও ফেইসবুকে তানভীর আহমেদ সুইট লিখেন : “মিথ্যা বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে করে লাভ নেই। সংবাদ না করে সঠিক তথ্য তুলে ধরুন।”

সাংবাদিক এর জবাবে প্রস্তাব দেন: “সামনা-সামনি বসা হোক, যেখানে যুবদলের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা, পুলিশ প্রশাসন, আর্মি ও সাংবাদিকরা উপস্থিত থাকবেন। যদি সাংবাদিক ভুল করে থাকেন, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা হোক। আবার অভিযুক্ত ব্যক্তি দোষী হলে তাকেও বহিষ্কার ও আইনগতভাবে ব্যবস্থা নেয়া হোক।”

কিন্তু এই বিষয়ে অভিযুক্ত সুইট কিংবা মহানগর যুবদলের পক্ষ থেকে এ প্রস্তাবের কোনো গ্রহণযোগ্যতা না দেখিয়ে উল্টো সংবাদ প্রকাশকারী সাংবাদিককে মিডিয়া সেল গ্রুপ থেকেই সরিয়ে দেওয়া হয়।

এইভাবেই সন্ধ্যা ৬:৪২ থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত বিভিন্নভাবে চাপ অব্যাহত থাকে। এরইমধ্যে মহানগর যুবদলের পক্ষ থেকে রথ মেলায় চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে প্রচার করা হয়—যেখানে মাইকিং করে বলা হয়, কেউ চাঁদা চাইলে প্রশাসন অথবা মহানগর যুবদলকে জানাতে। অথচ চাঁদাবাজি রোধে এই প্রচারণায় উপস্থিত ছিলেন অভিযোগের মূল কেন্দ্র তানভীর আহমেদ সুইট নিজেই। যা ঘটনাটিকে আরও প্রশ্নবিদ্ধ ও বিতর্কিত করে তোলে রাজশাহী বাসীর কাছে।

এই বিষয়ে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের মিডিয়া শাখার অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার রকিবুল হাসান ইবনে রহমান বলেন, বিষয়টি লজ্জা জনক। আমরা চাঁদাবাজ অনেককে আটক করেছি অভিযান চালাচ্ছি এরপরেও থামনো যাচ্ছেনা ।রাজনৈতিক নেতারা পিছন থেকে ইন্ধন দিতেছে সেই কারণে শুধু চাঁদা নেওয়া হাত পরিবর্তন হচ্ছে সিন্ডিকেট থামছেনা। আর আপনার নিরাপত্তার জন্য প্রশাসন সক্রিয় রয়েছে তবু আপনি থানায় জিডি করেন। আমি বোয়ালিয়া থানায় বলে দিব যেন টহল আরও জোরদার করে সাথে প্রতিটা দোকানদারদের সাথে কথা বলে দেখে তারা কি কি সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে।

আরও খবর

Sponsered content