নিজস্ব প্রতিবেদকঃ “সময় বাড়িয়ে ১৬ হাজার ১০০ টাকা করা হয়েছিল বেতন। কিন্তু গত বছর হঠাৎ করে তা কমিয়ে ৯ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়। এখন এই বেতনও ৭ মাস ধরে পাইনি। দোকানে অনেক টাকা বাকি হয়ে গেছে। অনেকে বাড়িভাড়া দিতে পারছে না। খুব সমস্যায় আছি।”
এভাবেই নিজেদের দুর্দশার কথা তুলে ধরেন কয়েকজন কর্মী। তারা জানান, হঠাৎ করেই বেতন অর্ধেক করে দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হলে তারা প্রতিবাদ করেন। কিন্তু সংশ্লিষ্ট এনজিও কর্তৃপক্ষ জানিয়ে দেয়—চাকরি করতে হলে এই বেতনেই করতে হবে, না হলে চাকরি ছেড়ে দিতে হবে। বাধ্য হয়ে তারা সেই বেতনেই কাজ চালিয়ে যান। কিন্তু সেটিও এখন নিয়মিত পাচ্ছেন না।
কর্মীদের অভিযোগ, টানা সাত মাস বেতন না পাওয়ায় অনেকেই সন্তানের পড়াশোনার খরচ জোগাতে পারছেন না। সংসার চালানো দুষ্কর হয়ে পড়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা আহছানিয়া মিশন–এর স্থানীয় প্রশাসনিক কর্মকর্তা আপেল মাহমুদ ফোনে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
অন্যদিকে নারী মৈত্রী–র স্থানীয় প্রকল্প ব্যবস্থাপক মনিরুজ্জামান মোড়ল বলেন,“২০১৯ সাল থেকে আমরা বেশি বেতন দিয়েছি। পরিস্থিতি বিবেচনায় সবার বেতন কমেছে। আমরাও অর্ধেক বেতনেই চাকরি করছি।”
সাত মাসের বকেয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন,“প্রসেস চলছে। দু’একদিনের মধ্যেই তিন মাসের বেতন দিয়ে দেওয়া হবে। বাকি অংশ ধীরে ধীরে পরিশোধ করা হবে।”
এ বিষয়ে জানতে চাইলে রাজশাহী সিটি করপোরেশন–এর প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. এফএএম আঞ্জুমান আরা বেগম বলেন, কর্মীদের বেতন পরিশোধের জন্য আমরা দুটি এনজিওকে ৩০ লাখ টাকার চেক দিয়েছি। দু’একদিনের মধ্যেই তারা তিন মাসের বেতন দিতে পারবে।
তবে কর্মীদের দাবি, দ্রুত পুরো বকেয়া পরিশোধ না হলে তারা কঠোর কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হবেন।
সম্পাদক: ও প্রকাশক : মোঃ সাকিবুল ইসলাম স্বাধীন।
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
ডিএম ভবন(৪র্থ তলা), অলকার মোড়,বোয়ালিয়া ,রাজশাহী
ফোন নাম্বার- 01717-725868
ইমেইল: sokalerbulletin@gmail.com
www.sokalerbulletin.com