রাজশাহীর জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল দৈনিক সকালের বুলেটিন – দেশ ও জনগণের নিরপেক্ষ গণমাধ্যম
রবিবার , ১১ জানুয়ারি ২০২৬ | ২৫শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. উত্তরবঙ্গ
  6. কৃষি
  7. খেলাধুলা
  8. জাতীয়
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. দুর্ঘটনা
  11. দুর্নীতি অনুসন্ধান
  12. ফটো গ্যালারি
  13. বাণিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বুলেটিন স্পেশাল

ফসলি জমি রক্ষায় কঠোর প্রশাসন: দুর্গাপুরে অবৈধ পুকুর খননে জরিমানা ও ভেকু নিষ্ক্রিয়

প্রতিবেদক
সাকিবুল ইসলাম স্বাধীন
জানুয়ারি ১১, ২০২৬ ১১:১৫ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার ২ নম্বর কিসমত গণকৈর ইউনিয়নের উজানখলসী পূর্বপাড়া এলাকায় অবৈধভাবে পুকুর খননের অভিযোগে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে দুই ভেকু চালককে এক লাখ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

অদ্য ১১ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ আনুমানিক সন্ধ্যা ৬টার দিকে প্রাপ্ত অভিযোগের ভিত্তিতে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, দুর্গাপুর, রাজশাহীর নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানকালে অনুমোদন ব্যতীত পুকুর খননরত অবস্থায় মোট ছয়জনকে আটক করা হয়।

বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০-এর ১৫(১) ধারায় ভেকু চালক সাইফুল ইসলাম ও আরিফুল ইসলামকে প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে সর্বমোট এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। একই সঙ্গে অবৈধভাবে ব্যবহৃত ভেকুটি নিষ্ক্রিয় করে দেওয়া হয়।

এ সময় আটক অপর চারজনের বয়স ১৮ বছরের নিচে হওয়ায় প্রাথমিক পর্যায়ে ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধে জড়িত না হওয়ার শর্তে তাদের কাছ থেকে মুচলেকা নেওয়া হয়।

অভিযান শেষে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জানান, জনস্বার্থে ও ফসলি জমি রক্ষায় অবৈধ পুকুর খননের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।

দুর্গাপুর উপজেলার একাধিক এলাকার কৃষকরা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, দীর্ঘদিন পর তারা একজন সৎ ও সাহসী এসি ল্যান্ড পেয়েছেন। তাদের মতে, প্রশাসন যদি এভাবেই দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে, তাহলে ফসলি জমি রক্ষা করা সম্ভব। কৃষকরা বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে ইউএনও, এসি ল্যান্ড ও থানার ওসি পরস্পর যোগসাজশে আ.লীগের নেতাদের অবৈধ পুকুর খননের সুযোগ করে দিতেন। সে সময় পুকুর খনন একটি রমরমা ব্যবসায় পরিণত হয়েছিল।

কৃষকদের অভিযোগ, সাধারণ কোনো জমির মালিক নিজের জমিতে পুকুর খননের অনুমতি চাইলে তা দেওয়া হতো না। বরং তিনি নিজ উদ্যোগে খনন করতে গেলে তৎক্ষণাৎ অভিযান চালানো হতো। কিন্তু একই জমিতে অর্থের বিনিময়ে কোনো নেতা বা প্রভাবশালী ব্যক্তিকে দায়িত্ব দিলে কোনো বাধা ছাড়াই পুকুর খনন সম্পন্ন করা যেত। প্রশাসনের একটি অংশের প্রত্যক্ষ মদদেই বছরের পর বছর ধরে ফসলি জমি ধ্বংসের এই অপতৎপরতা চলেছে বলে দাবি করেন তারা।

কৃষকদের ভাষ্য, বর্তমান প্রশাসনের এই কঠোর অবস্থান অব্যাহত থাকলে অতীতে চলা এই লুটপাট ও অনিয়মের রাজনীতি বন্ধ করা সম্ভব হবে।

সর্বশেষ - বিনোদন

আপনার জন্য নির্বাচিত
Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial