রাজশাহীর জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল সকালের বুলেটিন – Sokaler Bulletin
বৃহস্পতিবার , ১৪ মে ২০২৬ | ১৪ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. উত্তরবঙ্গ
  6. কৃষি
  7. খেলাধুলা
  8. জাতীয়
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. দুর্ঘটনা
  11. দুর্নীতি অনুসন্ধান
  12. ফটো গ্যালারি
  13. বাণিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বুলেটিন স্পেশাল

মাদক সিন্ডিকেট, মাসোয়ারা ও আপোষ বাণিজ্য: অভিযোগের কেন্দ্রে এসআই জুয়েল

প্রতিবেদক
সাকিবুল ইসলাম স্বাধীন
মে ১৪, ২০২৬ ৭:১৯ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ রাজশাহীর গোদাগাড়ী মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জুয়েলের বিরুদ্ধে মাদক সিন্ডিকেট পরিচালনা, উদ্ধারকৃত অরিজিনাল হেরোইন বিক্রি এবং বিচারপ্রার্থীদের জিম্মি করে অর্থ আদায়ের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, প্রভাবশালী এই পুলিশ কর্মকর্তার কর্মকাণ্ডে সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে বিভিন্ন পক্ষ এখন আতঙ্ক ও ভোগান্তির মধ্যে রয়েছেন।

সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে উদ্ধারকৃত মাদক নিয়ে কারসাজির বিষয়ে। সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের দাবি, এসআই জুয়েল মাদকসহ আসামি আটক করার পর উদ্ধারকৃত অরিজিনাল মাদক সরিয়ে সেখানে নকল বা মাদক সদৃশ বস্তু যুক্ত করে আদালতে চালান দেন।

গত ১০ এপ্রিল বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার ভাটোপাড়া এলাকা থেকে ১০০ গ্রাম মাদকসহ আলিয়ারা বেগম (স্বামী- মাসুদ রানা) নামের এক নারীকে আটক করা হয়। এ ঘটনায় গোদাগাড়ী মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা (এফআইআর নং-২১, জিআর নং-১০৯) রেকর্ড করা হয়। তবে অভিযোগ উঠেছে, উদ্ধারকৃত ১০০ গ্রাম অরিজিনাল হেরোইনের মধ্যে ৯০ গ্রামই বিক্রি করে দেন এসআই জুয়েল। পরে মাত্র ১০ গ্রাম ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠিয়ে বাকি অংশের জায়গায় মাদক সদৃশ বস্তু যুক্ত করে জব্দ তালিকায় দেখানো হয়।

থানার একাধিক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, এসআই জুয়েলের বিরুদ্ধে উদ্ধারকৃত আসল মাদক বিক্রির অভিযোগ নতুন নয়। এর আগেও তিনি একই ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন বলে দাবি করেন তারা।

শুধু মাদক নয়, ফসলি জমির টপসয়েল (ওপরিভাগের মাটি) নিধন সিন্ডিকেট থেকেও নিয়মিত মাসোয়ারা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। ওই সিন্ডিকেটের এক সদস্য ছদ্মনাম “রহিম” ফোনে জানান, তিনি নিয়মিত থানায় গিয়ে এসআই জুয়েলকে ৫০০ থেকে ১ হাজার টাকা পর্যন্ত দিয়ে থাকেন। তবে বর্তমান ওসির সঙ্গে এ ধরনের কোনো লেনদেন হয় না বলেও দাবি করেন তিনি।

এছাড়া উপজেলার সাফিনা পার্ক থেকেও নিয়মিত মাসোয়ারা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।

অভিযোগ রয়েছে, বিভিন্ন মামলার বাদী ও বিবাদী উভয় পক্ষকে আপোষ-মীমাংসার কথা বলে থানায় ডেকে এনে ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে অর্থ আদায় করেন এসআই জুয়েল। কেউ টাকা দিতে ব্যর্থ হলে তাকে নানাভাবে হয়রানির শিকার হতে হয় বলেও জানিয়েছেন একাধিক ভুক্তভোগী।

এসব বিষয়ে বক্তব্য জানতে এসআই জুয়েলের ব্যক্তিগত মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।

গোদাগাড়ী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান বলেন, “এ ধরনের কোনো অভিযোগ আমার জানা নেই। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, পুলিশের একজন সদস্যের বিরুদ্ধে ওঠা এসব গুরুতর অভিযোগ দ্রুত ও নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা প্রয়োজন। অন্যথায় এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটার পাশাপাশি পুলিশের ভাবমূর্তিও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

সর্বশেষ - বিনোদন

আপনার জন্য নির্বাচিত

সূর্যগিরি আশ্রমের উদ্যোগে কৃতি শিক্ষার্থীদের সম্মাননা ও সনদ বিতরণ

রাজশাহীতে জামিনে ফিরে তাণ্ডবের অভিযোগ, অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূকে মারধর ও লুটপাট

রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের সাধারণ সভা সম্পন্ন

আরএমপি সাইবার ইউনিটের বড় সাফল্য: উদ্ধার হওয়া ৭৫টি মোবাইল ফিরল মালিকের হাতে

রাজশাহীতে দুই সাংবাদিককে কুপিয়ে জখম: হামলাকারীদের গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন

রাজশাহী মহানগরীতে বিভিন্ন অপরাধে গ্রেপ্তার ১৫ ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার

চারঘাটে ৬৮৬ বোতল ফেনসিডিলসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার 

ঈদের আগে পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের মুখে হাসি, প্রধানমন্ত্রীর উপহার পৌঁছে দিল রাসিক প্রশাসক রিটন

যথাযোগ্য মর্যাদায় রাবিতে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত

বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগ আয়োজিত জাতীয় শোক দিবসের আলোচনায় বক্তারা

Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial