মো নাহিদুর রহমান শামীম
মানিকগঞ্জ জেলা পতিনিধি:
সাটুরিয়ায় উপজেলা,, ১ম স্বামী মনোয়ার ( ৪২) কাছে ফিরে যাবে,ঐ সন্দেহে শারমিন (২৯) নামের এক নারীকে গলা কেটে হত্যা করেছে ২য় স্বামী মো রতন।
শনিবার দুপুরে সাটুরিয়া উপজেলার, ধানকোড়া ইউনিয়নের, ধোতরা গ্রামে, কৃষি ইনস্টিউটিটের পশ্চিম পাশে এ ঘটনাটি ঘটে।
নিহত শারমিন আক্তার (২৮) উপজেলার বরুন্ডি এলাকার আব্দুল মান্নানের মেয়ের।
তিনি সন্তানের জননী।
জানা গেছে, শারমিনের ১ম স্বামী মনোয়ারকে রেখে, বছর দুয়েক পূর্বে ২য় রতনকে বিয়ে করে।
কয়েকমাস পূর্বে রতনের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি হয় ও তারা একা একা বসবাস শুরু করে।
কিছু দিন আগে রতনের সঙ্গে তালাক হয়, কিন্তু রতন প্রতিনিয়ত শারমিনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেন।
ওপর দিকে শারমিন তার ১ম স্বামীর সাথে যোগাযোগ করে তার কাছে ফিরে যাবে এ বলে,
বাড়ি থেকে বের হয়,
শনিবার দুপুরে ধানকোড়া ইউনিয়নের ধোতরা গ্রামের, কৃষি ইনস্টিটিউট এর পাসে, গলা কেটে কে বা কারা রেখে, পালিয়ে যায়।
নিহত শারমিনের বাবা মানু শিকদার বলেন, আমার মেয়ের সঙ্গে চুয়াডাঙ্গা জেলার, জীবন নগর থানার, হাসাদা গ্রামের তহিরুদ্দীনের পুত্র মানোয়ারের (৪২) , এর সঙ্গে ১৫ বছর আগে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়।
তাদের ঘরে ৩ সন্তান রয়েছে। ১ম স্বামী মনোয়ার বলেন, আমাদের সংসার ভালোই চলছিল।
তিনি আরও বলেন, তার স্ত্রীর সাথে ৫ বছর ধরে, ঢাকার, ধামরাই উপজেলার গাঙ্গুটিয়া ইউনিয়নের কাওয়াখোলা গ্রামের, রাজ্জাক মুন্সির পুত্র রতনের সঙ্গে সম্পের্কে জড়িয়ে পড়ে।
গত ২২ জানুুয়ারি শারমিন রতনের সঙ্গে পালিয়ে যায়।
২৫ ফেব্রুয়ারি আমাকে তালাক নামা পাঠিয়ে দেয়। আমাদের ঘরে ৩ সন্তান থাকায় এলাকাবাসী শারমিনকে বুঝিয়ে বরুন্ডি নিয়ে আসে।
আজ বিকেলে আমাদের সঙ্গে পুনরায় বিয়ের কথা ছিল। কিন্তু দুপুরেই সে খুন হলো।
সাটুরিয়া থানার ওসি শফিকুল ইসলাম মোল্লা বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আমরা খবর পেয়ে ঘটনা স্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্বার করি। ময়না তদন্তের জন্য মানিকগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতালে মরদেহ পাঠিয়েছি।
শনিবার দুপুর ১২টার দিকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কে বা কারা হত্যা করে মরদেহ ফেলে গেছে।
পরকীয়া সংক্রান্তের জের ধরে এ নৃশংস হত্যা। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আমরা ১ম স্বামীকে আটক করেছি। বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত মামলা হয়নি। মামলা হলে ২য় স্বামী রতনকেও গ্রেপ্তার করে আইনের আওয়াতায় নিয়ে আসা হবে।



















