নিজস্ব প্রতিবেদকঃ রাজশাহী মহানগরের উপশহর এলাকায় একটি ক্লাবের আড়ালে চলছিল টাকার জুয়া। সোমবার রাত ১১টার দিকে সেই আসরে হানা দেয় বোয়ালিয়া থানা পুলিশ — আর তখনই ধরা পড়ে চমকে দেওয়া এক সত্য। জুয়াড়িদের ভিড়ে ছিলেন খোদ একজন পুলিশ সদস্য।
উত্তরা ক্লিনিকের মোড়সংলগ্ন একটি টিনশেড ভবনে ছিল “উপশহর একতা সংঘ” নামের ক্লাবটি। বাইরে থেকে ক্লাব, ভেতরে সন্ধ্যার পর বসত টাকার আসর। সোমবার রাতে অভিযান চালিয়ে সেখান থেকে মোট ১২ জনকে আটক করে পুলিশ।
গ্রেপ্তারদের মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত হলেন মো. ওয়াহিদ মুরাদ (৪৭)। তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পুলিশে কনস্টেবল পদে কর্মরত। রাজপাড়া থানার তেরোখাদিয়া এলাকার বাসিন্দা এই কনস্টেবল সেই রাতে ক্লাবে কী করছিলেন — সেটাই এখন সবার জিজ্ঞাসা।
বাকি গ্রেপ্তাররা হলেন — আলমগীর কবির (৩৫), খাইরুল হাসান (৪৮), ফিরোজ উদ্দিন (৬৫), তোফায়েল আহমেদ, মো. হান্নান (৬০), তানজিদ (৩৬), মনজুরুল ইসলাম (৬১), শফিকুল ইসলাম (৫০), শাহাবক্স, মাসুদ রানা ও সাইফুল ইসলাম (৩৪)। শহরের বিভিন্ন এলাকায় তাদের বাড়ি।
বোয়ালিয়া থানার ওসি মাছুমা মুস্তারী জানান, গ্রেপ্তার সবার বিরুদ্ধে জুয়া প্রতিরোধ আইনে পুলিশ বাদী হয়ে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মঙ্গলবার ১২ জনকে রাজশাহী মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এই কনস্টেবলের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না — সেটাই এখন দেখার বিষয়।



















