নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজশাহী মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক ও ত্যাগী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব জনাব মাহফুজুর রহমান রিটন, এখন তরুণ সমাজ ও নতুন ভোটারদের কাছে রাজশাহী মহানগর বিএনপির নেতৃত্বের প্রতীক হয়ে উঠেছেন। দলের দুঃসময়ে রাজপথে সক্রিয় থেকে সাহসিকতার সঙ্গে দলকে সংগঠিত করার কারণে তাঁর প্রতি আস্থা ও ভালোবাসা প্রকাশ করছেন নগরীর সচেতন রাজনৈতিক যুবসমাজ।
তরুণদের ভাষ্যে, “আমরা নেতৃত্বে এমন কাউকে চাই, যিনি মাঠে থাকেন, ত্যাগ করতে জানেন, নেতাকর্মীদের পাশে থাকেন। রিটন ভাই সেই যোগ্য ব্যক্তি। রাজশাহীতে বিএনপিকে আবার জাগাতে হলে তাঁর মতো একজন সাহসী নেতার দরকার।”
রাজনীতির অনিশ্চয়তার সময়েও যাঁরা রাজপথে ছিলেন, তাঁদের মধ্যে রিটন ভাই অন্যতম। দলে তাঁর দীর্ঘদিনের অবদান, ত্যাগ, এবং সাংগঠনিক দক্ষতা আজ নতুন প্রজন্মের চোখে অনুপ্রেরণার প্রতীক হয়ে উঠেছে।
নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ডের তরুণ ভোটার ও যুবদল কর্মীরা বলছেন— “আমরা আর হাইব্রিড নেতা চাই না। আমরা চাই, মাঠের নেতা রিটন ভাইকে। তাঁকে যদি সাধারণ সম্পাদক করা হয়, তাহলে বিএনপির মধ্যে আবার ঐক্য, শক্তি এবং আগের মতো আন্দোলনের গতি ফিরে আসবে।”
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বিএনপির সামনে এখন বড় চ্যালেঞ্জ হল সংগঠনকে ঢেলে সাজানো ও মাঠ পর্যায়ে নেতৃত্ব তৈরি করা। সেক্ষেত্রে রিটনের মতো ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাকে সামনে আনা হলে, তা দলের জন্য ইতিবাচক হবে।
তরুণ সমাজের এমন দাবির মুখে এখন সকলের দৃষ্টি মহানগর বিএনপির সিদ্ধান্তের দিকে। রাজশাহীতে বিএনপির ভবিষ্যৎ নেতৃত্বে কী পরিবর্তন আসে, সেটাই দেখার বিষয়।



















