নিজস্ব প্রতিবেদন:
রাজশাহী ৪ আসনের আওয়ামীলীগের এমপি আবুল কালামের জামিন মঞ্জুর করেন সুপ্রিম কোর্ট। সেটা জানতে পেরে বিএনপি ও তার অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা সন্ধ্যা থেকে জেল গেট ঘেরাও করে। এরপর রাত ৮টাই জামিনে মুক্ত হয়ে জেল গেট থেকে জেলা ডিবি আবারও আটক করে নিয়ে যায় কালামকে।
বাগমারার এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়,বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে গুলি চালানোর হুকুমদাতা ও বিস্ফোরক মামলার আসামি রাজশাহী ৪ আসনের এমপি আবুল কালাম আজাদ যাকে বাগমারাবাসী আগে সর্বহারা কালাম নাম দিয়েছিল এমপি হওয়ার পর যার নাম হয়ে উঠে ভেঁকু কালাম। রাতের আধারে কৃষকের জমি দখল করে শত শত ফসলি জমি হত্যা করেছে এই এমপি কালাম। এছাড়া চাদাবাজি, দখল, টেন্ডার বাজি, নিয়োগ বাণিজ্য সহ অনেক অভিযোগ এই আওয়ামী লীগ নেতার নামে।
৫ আগস্টে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকার পতনের পর গা ঢাকা দেন এমপি কালাম। এর পর রাজধানী ঢাকা থেকে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের হাতে আটক হয় তিনি। এরপর তাকে বাঘমারা থানার ২টি মামলায় আটক দেখানো হয়।
বাগমারা থানা সূত্রে জানা যায়, বাগমারাতে মোট ৭ টি মামলা ছিল তার মধ্যে দুইটি বিস্ফোরক মামলায় তাকে আটক দেখানো হয়েছিল। আজ সুপ্রিম কোর্টে তার জামিন মঞ্জুর হয়। জেল থেকে তাকে জেলা ডিবি আটক করে মোহনপুর থানার মামলায় আবার আটক দেখায়। এ বিষয়টি এসপি অফিসের মিডিয়া মুখপাত্র রফিকুল আলম নিশ্চিত করেছেন।
জেল থেকে জামিনে বের হলে বিএনপি ও তার অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা ঝাপিয়ে পড়ে কালামের উপরে। জেলা ডিভির গাড়িতে তোলার সময় ছাত্রদল, যুবদল ও মহিলা দলের নেতাকর্মীরা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় কালাম পুলিশের গাড়িতে উঠে যাওয়ার পর নেতাকর্মীরা গাড়িটি আটকে দেওয়ার চেষ্টা করেন। অনেকে গাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে যান। দু’একজন ইটপাটকেলও ছোঁড়েন। এ সময় গাড়ির বাইরে থাকা পুলিশ সদস্যরা নেতাকর্মীদের সরিয়ে দিলে দ্রুত গাড়িটি ডিবি কার্যালয়ে চলে যায়।



















