রাজশাহীর জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল সকালের বুলেটিন – Sokaler Bulletin
রবিবার , ১২ জানুয়ারি ২০২৫ | ৩০শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. উত্তরবঙ্গ
  6. কৃষি
  7. খেলাধুলা
  8. জাতীয়
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. দুর্ঘটনা
  11. দুর্নীতি অনুসন্ধান
  12. ফটো গ্যালারি
  13. বাণিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বুলেটিন স্পেশাল

মোহনপুরে মদ পানে ৪জন নিহত ঘটনায় তদন্তে এএসপি  

প্রতিবেদক
সাকিবুল ইসলাম স্বাধীন
জানুয়ারি ১২, ২০২৫ ৮:৩৪ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক:রাজশাহী মোহনপুরে আলোচিত দেশিয় মদ (কট) পান করে নিহত হয়েছেন মাদক ব্যবসায়ীসহ ৪ জন ব্যক্তি। এঘটনায় রামেক হাসপাতাল থেকে সুস্থ্য হয়ে বাড়ি ফিরেছেন আরো ৪ জন মাদক সেবী। ধামাচাপা দিতে নানান চেষ্টা চলমান থাকায় বিষয়টি এখন আলোচনার শীর্ষে। এদিকে রোববার (১২ জানুয়ারি) সুষ্ট তদন্ত ও ঘটনা উদঘাটনে বাড়ি বাড়ি গিয়ে কথা বলছেন রাজশাহীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হেলেনা আকতার। এসময় সঙ্গে ছিলেন মোহনপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল হাননানসহ পুলিশ সদস্যরা।

 

সরজমিনে গিয়ে এলাকাবাসির সূত্রে জানা যায়, প্রতিনিয়ত আনন্দ উল্লাস করে মোহনপুর উপজেলার করিষা-দূর্গাপুর গ্রামের নির্জন স্থানে অনেকেই মাদক সেবন করে। এ ঘটনায় নিহতরা টুটুল ও জুয়েলের কাছে বসে এ মদ (কট) সেবন করে। এরপর তারা ধীরে ধীরে অসুস্থ্য হতে শুরু করলে তারা এলাকায় মিথ্যা বয়ান দিয়ে চিকিৎসা গ্রহণ করে। এরা দুইজন ছাড়া আরো মারা যায় মন্তাজ ও একদিল। আর রামেক হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে বাসায় ফিরে আসেন পিন্টু, আকবর, মোনা ও ফিরোজ।

 

নিহত টুটুলের স্ত্রী শীলা বলেন, আমার স্বামী বাড়িতে এসে বলে তার নানার রকম সমস্যা হচ্ছে। তখন সে এলাকার কয়েকজন পল্লী চিকিৎসকের কাছ থেকে ঔষধ খাওয়ার পরও সুস্থ্য না হয়ে মারা যায়।মন্তাজের স্ত্রী মমতাজ বেগম  বলেন, আমার স্বামী প্রায় ১৩ বছর যাবৎ মাদক সেবন করে। এবার এই মাদক সেবন করায় আমার স্বামী মারা গেছে। এলাকায় মাদক মুক্ত হলে আর কাউকে আমার মতো স্বামী হারা হতে হবেনা।

 

এ ঘটনায় মোহনপুর থানায় মামলা দায়ের করেন নিহত মন্তাজের ছেলে মাসুম রানা।  তিনি বলেন, যে এ মদ (কট) বিক্রি করেছে, সে যেন গ্রেপ্তার হয়। আমি আবার বাবার হত্যা বিচারের দাবি জানাচ্ছি।

 

এলাকাবাসির অনেকে বলেন, আমাদের আজও হুমকি দিয়েছে মাদক কারবারিরা, যেন জেলা পুলিশের কাছে কিছু না বলি।  বললে আমাদের কুপাবে, তাই আমরা এখন অসহায়। আমরা এলাকা মাদক মুক্ত সহ সকল অপরাধীদের বিচার চাই।

 

রাজশাহী জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হেলেনা আকতার তথ্য সংগ্রহে কিছু ফোন নাম্বার সংগ্রহ করেন। যাতে তিনি পরে সকল সঠিক তথ্য নিয়ে মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান চালাতে পারেন।

 

এবিষয়ে রাজশাহী জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হেলেনা আকতার বলেন, আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিদর্শন করে এসেছি। প্রকাশ্যে ও গোপনে তর্থ্য নিয়ে ঘটনার তদন্ত দ্রুত উৎঘাটন করা হবে। এজন্য মোহনপুর থানার তদন্ত কর্মকর্তা কাজ করবেন, আমি সুপারভাইস হয়ে বিষয়টিতে গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশনা প্রদান করবো।

সর্বশেষ - বিনোদন

Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial