রাজশাহীর জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল দৈনিক সকালের বুলেটিন – দেশ ও জনগণের নিরপেক্ষ গণমাধ্যম
মঙ্গলবার , ১৯ আগস্ট ২০২৫ | ১৫ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. উত্তরবঙ্গ
  6. কৃষি
  7. খেলাধুলা
  8. জাতীয়
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. দুর্ঘটনা
  11. দুর্নীতি অনুসন্ধান
  12. ফটো গ্যালারি
  13. বাণিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বুলেটিন স্পেশাল

রাজশাহীতে অবৈধ প্লাস্টিক কারখানা: অনুমতি ছাড়াই চলছে উৎপাদন, ঝুঁকিতে হাজারো মানুষ

প্রতিবেদক
সাকিবুল ইসলাম স্বাধীন
আগস্ট ১৯, ২০২৫ ১০:২৭ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজশাহীর পবা উপজেলার ৫ নং হড়গ্রাম ইউনিয়নের বড়বাড়িয়া এলাকায় পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ছাড়াই অবৈধভাবে গড়ে উঠেছে একটি প্লাস্টিক ও পলিথিন রিসাইক্লিং কারখানা। এতে স্থানীয় কয়েক হাজার মানুষ স্বাস্থ্য ঝুঁকি ও পরিবেশ দূষণের শিকার হলেও দেখার যেনো কেউ নেই।

মঙ্গলবার দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সাইনবোর্ডবিহীন “মেসার্স ইমন প্লাস্টিক” কারখানায় ময়লা-আবর্জনা থেকে সংগৃহীত পলিথিন ও প্লাস্টিক রোদে শুকিয়ে পুনর্ব্যবহারের উপযোগী পণ্য তৈরি করা হচ্ছে। শ্রমিকরা মুখে কোনো মাস্ক ছাড়াই বর্জ্য বাছাই করছেন এবং সেফটিগার্ড ছাড়া হাইড্রোলিক মেশিনে কাজ করছেন। ফলে শ্রমিকদের মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হয়েছে। এ ছাড়া কারখানায় অগ্নিনির্বাপণেরও কোনো সঠিক ব্যবস্থা নেই।

এলাকাবাসীরা অভিযোগ করে বলেন, সামান্য বাতাস হলেই এসব প্লাস্টিক টুকরো এবং বিষাক্ত গন্ধ চারপাশে ছড়িয়ে পড়ে। এতে পরিবেশ দূষণের পাশাপাশি নানা রোগ-জীবাণুতে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে। তারা দ্রুত দুর্গন্ধ ও বিষাক্ত বর্জ্যের অভিশাপ থেকে মুক্তির দাবি জানান।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মো. শরিফ আলী নামের এক ব্যবসায়ী এই কারখানাটি স্থাপন করেছেন। এ বিষয়ে তিনি ফোনে দাবি করেন, কারখানার সব ধরনের কাগজপত্র রয়েছে। তবে কারখানার ম্যানেজার স্বীকার করেন, তাদের কাছে পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ও উৎপাদন-বিপণন সনদপত্র নেই। ফায়ার সার্ভিসের সার্টিফিকেট থাকলেও তা হালনাগাদ নয়। কেবল একটি টিন সার্টিফিকেট দিয়েই দীর্ঘদিন ধরে কারখানাটি চালু আছে। তিনি আরও বলেন, “পরিবেশ অফিস ম্যানেজ করা আছে, তাই কোনো সমস্যা হয় না।”

অভিযোগ রয়েছে, কারখানার সঙ্গে সম্পৃক্ত এক নামধারী সাংবাদিক স্থানীয় প্রতিবেদকদের হুমকি দিয়ে বলেছেন— “ওই কারখানায় এমন কিছু করবেন না যাতে মান-সম্মান নষ্ট হয়।”

এ বিষয়ে রাজশাহী জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোছাঃ তাছমিনা খাতুন বলেন, “পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ছাড়া প্লাস্টিক ও পলিথিন রিসাইক্লিং কারখানা পরিচালনা দণ্ডনীয় অপরাধ। আমরা শিগগিরই সরেজমিনে গিয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নেব। গতকালই কয়েকটি জায়গায় অভিযান চালানো হয়েছে, এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

সর্বশেষ - বিনোদন

আপনার জন্য নির্বাচিত
Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial