নিজস্ব প্রতিবেদক:
রাজশাহী মহানগরীর রাজপাড়া থানাধীন লক্ষীপুরে আবাসিক হোটেলের আড়ালে চলছে দেহ ব্যবসা ও মাদক সেবনের বিশ্বস্ত জায়গা। রাজশাহী শিক্ষা নগরী হওয়ায় অন্যান্য জেলা থেকে পড়তে আসা কলেজের ছাত্ররা জড়িয়ে পড়ছে নিষিদ্ধ মাদক ইয়াবা সেবনে। হোস্টেলে থাকা ছাত্র – ছাত্রীরা রুম ডেট এর জন্য বেছে নিচ্ছে এই আবাসিক হোটেলটি। এছাড়াও পতিতা রেখে দেহ ব্যবসা দীর্ঘদিন যাবত করে আসছেন হোটেল বনলতার মালিক মাইনুল।
আরএমপি ডিবির তথ্য মতে, তারা নিয়মিত আবাসিক হোটেলগুলোতে অভিযান চলমান রেখেছে। অনেক হোটেলেই তারা ছাত্রছাত্রীকে আটক করেছে। এর আগে হোটেল বনলতাতে ডিবির অভিযান হওয়ার পরেও কৌশলে বেঁচে যান হোটেল মালিক মাইনুল।
হোটেল বনলতা কর্মচারী ওয়াহিদের কাছে জানা যায়, কোন এক দূর্নীতি বাজ ডিবি কর্মকর্তা তাদের আগেই অভিযানের কথা জানিয়ে দেওয়ায় পতিতা সরিয়ে নিতে সফল হয়েছেন মাইনুল।
শুক্রবার ২৭ ডিসেম্বর বিকেলে সরজমিনে হোটেলের সামনে গেলে দেখা যায়, লক্ষ্মীপুর এলাকায় চিকিৎসা নিতে আসা ব্যক্তি এছাড়াও আশেপাশের এলাকার উর্তি বয়সের ছেলে হোটেলে প্রবেশ করছেন। কেউ ২০ মিনিট কেউ এক ঘন্টা পর বেরিয়ে চলে আসছেন। স্থানীয় এক এলাকাবাসীর কাছে জানা যায়, পাঁচ আগস্টের পর মানুষের আনাগোনা হোটেলে একটু কম। এর আগে প্রশাসনকে ম্যানেজ করে দিনরাত সব সময় এই হোটেলে বিভিন্ন জায়গার মানুষের আসা যাওয়া চলতো। আমরা থানায় ও ডিবি অফিসে অনেকবার জানিয়েছি কিন্তু সেটার কোন প্রতিকার পায়নি। উল্টা স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা আমাদেরই হুমকি ধামকি দিয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে হোটেল মালিক মাইনুল কে ফোন দিলে, তিনি বলেন কাজের মেয়ে হিসেবে এক দুইটা মেয়ে থাকে। আগে চার-পাঁচটা মেয়ে থাকতো তখন প্রসাশন ও স্থানীয় নেতাদেরকে ম্যানেজ করে ব্যবসা চালিয়ে গেছি। বর্তমানে একটু সাবধানে চুপেচাপে ব্যবসা করার চেষ্টা করছি । কারো ক্ষতি তো আমরা করি না আপনি আসেন সামনাসামনি বসে একসাথে চা খাব আর কথা হবে। অনেকেই আসে আমার কাছে সবার সাথে ভালো সম্পর্ক রেখে চলার চেষ্টা করি।
এ বিষয়ে রাজপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো: আশরাফুল আলম বলেন, এই বিষয়ে আমি অবগত নয় বিষয়টি জানালাম দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করছি।
আরএমপি ডিবির উপ-পুলিশ কমিশনার মীর মোঃ শাফিন মাহমুদ কে হোয়াটসঅ্যাপে জানালে তিনি দ্রুত অভিযানের আশ্বাস দেন।



















