নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজশাহী মহানগরীর পাঁচ থানা এলাকায় একই দিনে ঘরে ঘরে অভিযান চালিয়েছে মেট্রোপলিটন পুলিশ (আরএমপি)। বোয়ালিয়া, কর্ণহার, দামকুড়া, কাটাখালী ও চন্দ্রিমা থানা পুলিশের এসব অভিযানে নারীসহ ৭ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার হয়েছেন। তাঁদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে গাঁজা, ইয়াবা ও ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট। মাদক বিক্রির নগদ টাকাও জব্দ করা হয়েছে।
আরএমপি সূত্র জানায়, গত ৬ অক্টোবর ২০২৬ সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে বোয়ালিয়া থানা পুলিশ খরবোনা নদীর ধার গ্রামে মো. জামাল হোসেনের (৪৪) বাড়িতে অভিযান চালায়। ফরিদপুরের ভাঙ্গা থানার পল্লীপাড়ার মৃত মোজাম হোসেনের ছেলে জামাল বর্তমানে ওই এলাকায় বসবাস করেন। তাঁর হেফাজত থেকে বিক্রির জন্য রাখা ৯০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার হয়।
একই দিন রাত সোয়া ৮টার দিকে কর্ণহার থানা পুলিশ তেতুলিয়া গ্রামে মো. শোভন আহমদের (১৯) বাড়িতে অভিযান চালায়। তারিফ হোসেনের ছেলে শোভনকে গ্রেপ্তারের সময় ৮০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
সকাল সোয়া ৯টার দিকে দামকুড়া থানা পুলিশ জাঙ্গালপাড়া এলাকা থেকে আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত এক শিশুকে (১৬) গ্রেপ্তার করে। তার কাছে ১৫ পিস ইয়াবা পাওয়া যায়। শিশু আইনের বিধান অনুযায়ী তার পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।
বিকাল ৫টার দিকে কাটাখালী থানা পুলিশ বাখরাবাজ এলাকায় অভিযান চালিয়ে পবা নতুনপাড়া গ্রামের মো. আলতাফ আলীর ছেলে মো. পলাশকে (২৫) গ্রেপ্তার করে। তাঁর কাছ থেকে ২৪ পিস ট্যাপেন্টাডল উদ্ধার হয়।
সাড়ে ৫টার দিকে কাটাখালী থানা পুলিশ রুপসীডাঙ্গা সাহাজীপাড়ায় মো. ইসমাইল হোসেনের (৫২) বাড়িতে অভিযান চালায়। সেখান থেকে ইসমাইল ও তাঁর স্ত্রী মোসা. সহিদা বেগমকে (৪৬) গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের কাছে ৪ পিস ট্যাপেন্টাডল, ৫ পিস ইয়াবা এবং মাদক বিক্রির নগদ ১১ হাজার ১৪৫ টাকা পাওয়া যায়। পুলিশ জানায়, ইসমাইলের বিরুদ্ধে কাটাখালী থানায় একটি এবং সহিদার বিরুদ্ধে দুটি মাদক মামলা আগে থেকেই রয়েছে।
রাত সাড়ে ৮টার দিকে চন্দ্রিমা থানা পুলিশ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি স্টেডিয়াম এলাকা থেকে বোয়ালিয়ার সপুরা গ্রামের মো. আওরঙ্গজেব ওরফে রিমনকে (২৭) গ্রেপ্তার করে। তাঁর কাছ থেকে ২০ পিস ট্যাপেন্টাডল উদ্ধার হয়। পুলিশের ভাষ্য, রিমন পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী; আরএমপির বিভিন্ন থানায় তাঁর বিরুদ্ধে ৪টি মাদক মামলা রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট থানায় গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে আলাদা মামলা হয়েছে। পরে আদালতের মাধ্যমে তাঁদের জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।



















