রাজশাহীর জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল দৈনিক সকালের বুলেটিন – দেশ ও জনগণের নিরপেক্ষ গণমাধ্যম
বুধবার , ১৩ মে ২০২৬ | ৩১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. উত্তরবঙ্গ
  6. কৃষি
  7. খেলাধুলা
  8. জাতীয়
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. দুর্ঘটনা
  11. দুর্নীতি অনুসন্ধান
  12. ফটো গ্যালারি
  13. বাণিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বুলেটিন স্পেশাল

পুঠিয়ায় রাজবাড়ি কমপ্লেক্সের ঐতিহ্যবাহী ভবন ভাঙার অভিযোগে থানায় জিডি

প্রতিবেদক
সাকিবুল ইসলাম স্বাধীন
মে ১৩, ২০২৬ ৯:২১ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ রাজশাহীর পুঠিয়া রাজবাড়ি কমপ্লেক্সে অবস্থিত একটি ঐতিহ্যবাহী ভবন ভাঙার ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছে প্রত্নতত্ত্ব অধিদফতর।

মঙ্গলবার (৫ মে) পুঠিয়া থানায় এ জিডি করেন প্রত্নতত্ত্ব অধিদফতরের রাজবাড়ির কাস্টডিয়ান হাফিজুর রহমান।

জানা গেছে, পুঠিয়া-আড়ানী সড়কের পাশে রাজবাড়ি কমপ্লেক্সের সামনের অংশে অবস্থিত এই ভবনটি দীর্ঘদিন ধরে ঐতিহাসিক স্থাপনা হিসেবে পরিচিত। স্থানীয়দের মতে, একসময় এই ভবনে রাজবাড়ির দারোয়ান নিতাই শিং বসবাস করতেন। বর্তমানে সেখানে বসবাস করছেন পুঠিয়া পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মনিরুল ইসলাম সাবু, যিনি কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ওয়ার্ড সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা কমিটির সদস্য হিসেবে পরিচিত।

অভিযোগ রয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে তিনি ভবনটি সম্পূর্ণ ভেঙে ফেলার চেষ্টা চালিয়ে আসছেন। এর আগে দুই দফা প্রত্নতত্ত্ব অধিদফতর ভাঙার কাজ বন্ধ করে দেয়। মনিরুল ইসলাম দাবি করেন, এটি তার কেনা সম্পত্তি।

অন্যদিকে, প্রত্নতত্ত্ব অধিদফতর ও সংশ্লিষ্ট গবেষকদের মতে, ভবনটি পুঠিয়া রাজবাড়ি কমপ্লেক্সের অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং এর উল্লেখযোগ্য প্রত্নতাত্ত্বিক মূল্য রয়েছে। ধারণা করা হয়, ১৮২৩ থেকে ১৮৩০ সালের মধ্যে ভবনটি নির্মিত হয়েছিল এবং এটি রাজবাড়ির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আবাসন হিসেবে ব্যবহৃত হতো।

কাস্টডিয়ান হাফিজুর রহমানের করা জিডিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ইতোমধ্যে ভবনটির উপরের অংশ আংশিকভাবে ভেঙে ফেলা হয়েছে এবং অবশিষ্ট অংশ ভেঙে ফেলার চেষ্টা চলছে। গত ১৪ এপ্রিল প্রথম দফায় ভাঙার কাজে বাধা দেওয়া হয়। পরে ৩ মে আবারও ভাঙার চেষ্টা করলে পুনরায় তা প্রতিহত করা হয়। কিন্তু নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ভবনটি ধ্বংসের চেষ্টা অব্যাহত থাকায় জিডিতে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়েছে।

পুঠিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদুল ইসলাম বলেন, জিডিটি আদালতে পাঠিয়ে তদন্তের অনুমতি চাওয়া হবে। অনুমতি পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে, মূল রাজবাড়ি থেকে অল্প দূরত্বে অবস্থিত এই ভবনের পাশেই রয়েছে ঐতিহ্যবাহী বড় শিব মন্দির ও দোল মন্দির। সম্প্রতি ভবনটি থেকে বিভিন্ন প্রাচীন আসবাবপত্র সরিয়ে নেওয়ার ঘটনাও স্থানীয়দের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। এর মধ্যে একটি আসবাবপত্র চেয়ারের মতো হলেও এতে আয়না সংযুক্ত ছিল বলে জানা গেছে। স্থানীয়দের ধারণা, এটি রাজপরিবারের ব্যবহৃত কোনো আসবাবপত্র হতে পারে। তবে মনিরুল ইসলাম এ দাবি অস্বীকার করে বলেন, আসবাবটি পুরনো হলেও রাজপরিবারের নয়।

নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করে মনিরুল ইসলাম জানান, তিনি যে ভবনটি ভাঙছেন তা আগে মারোয়ারি সম্প্রদায়ের মালিকানাধীন ছিল। তার দাবি, পাকিস্তান আমলে তার দাদা ইয়াকুব আলী স্বর্ণকার বাড়িসহ প্রায় ৫ শতাংশ জমি কিনেছিলেন। বর্তমানে প্রত্নতত্ত্ব অধিদফতর ভাঙার কাজে বাধা দিচ্ছে। সেক্ষেত্রে প্রয়োজনে সরকার চাইলে সম্পত্তিটি অধিগ্রহণ করতে হবে।

সর্বশেষ - বিনোদন

আপনার জন্য নির্বাচিত

নিজ অর্থায়নে রাস্তা মেরামত উদ্যোগ নিলেন আলহাজ্ব মোহাম্মদ আব্দুস সাত্তার

অধিকার প্রতিষ্ঠায় সহযোগিতা নিতে গিয়ে সর্বস্ব হারিয়ে নি:স্ব উপা শিখা চাকমা! 

মতিহার থানার অভিযানে তিন ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার; স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান

চাঁপাইনবাবগঞ্জে আগুনে দগ্ধ এক ভ্যানচালকের মরদেহ উদ্ধার

রাজশাহীতে আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া পরিষদের কমিটি গঠন 

লামায় ২৫ কোটি ৩৬ লাখ টাকা ব্যয়ে জিনামেজো টেকনিক্যাল ইন্সটিটিউটসহ ৪ উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন করলেন বীর বাহাদুর এম.পি

এলাকায় মাদক বন্ধে কাউন্সিলরের ব্যবস্থা, দু গ্রুপে সংঘর্ষ, আহত-২

নিজাম আলীর গ্রেপ্তার ‘অন্যায়’—মুক্তির দাবিতে মহানগর যুবদলের প্রতিবাদ, মানববন্ধন ও স্মারকলিপি

কাশিয়াডাঙ্গা থানার অভিযানে দুই অপহরণকারী গ্রেপ্তার; অপহৃত উদ্ধার

বিডিএস কোর্সে ভর্তি পরীক্ষা উপলক্ষ্যে আরএমপি’র নোটিশ

Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial